লেখা

ছায়াসঙ্গী যুগল
ছায়াসঙ্গী যুগল
৩১ অগাস্ট ২০১৬

অদৃশ্য শেকল পায়ে দূর মেঘ ছুঁতে গিয়ে থমকে যাওয়া,
পিছুটান প্রকটতর হয় সীমা পেরুলে।
কিন্তু, একাকিত্বকে পর করে দিয়ে শেকলে জড়ালে ভীত কামিনীর রাগ,
তোমার অহং-এর ঝটকায় ঝরে পড়ে কোমল পাপড়ি।
নিঃশ্বাস চমকে উঠে অধরে জমায় নোনা ফোয়ারার ছাপ,
অভিমানে পালালে মেঘের আড়ালে,
হাহাকার ফের বজ্রের মত নেমে আসে তোমারই বুকে।

তুমি, জানোনা কোথায় শেষ, জানতেনা শুরুর গল্প।
মাঝপথে একদিন মিলে গেলে কিছু কথা
ভেবে নিলে এই তবে সুকুন!
মৃত্তিকার সুগন্ধি মাতাল করতে পারে,
শরাবের মত ঢেউ তুলে যেতে পারে চেতনায়,
তবু তা তোমাকে ছোঁবেনা, তোমার ছায়া এলিয়ে পড়লে তার গা'য়,
চরণের 'পরে এঁকে দেবে সময়ের চিহ্ন।

রোমন্থন কিছুটা শূন্যতা কাটায় বটে,
তবে তার চেয়ে বড় করে দেখায় ক্ষুদ্রতাকে।
এই অসম্পূর্ণতার অনুভূতি তোমাকে নিজের ক্ষুদ্রতা দেখতে বাধ্য করবে।
তবু যদি কখনো আসমান আর জমিনের সীমানা ধারণ করে চোখে,
বুঝতে পারো বৈপরীত্যের সৌহার্দ ,
একদিন মৃত্তিকা তোমার আপন হবে।
মোহাচ্ছন্ন তুমি স্বেচ্ছায় বিলীন হতে চাইবে তার স্পর্শের কাছে, তার মায়ার ভাজে।

সুমাইয়া তাসনিম