লেখা

মিজানুর রহমান খানের লিগাসিঃ ‘পাকিস্তানি মাইন্ডসেট’ এর তত্ত্বায়ন ও ভারত বিরোধি রাজনীতির নির্মূলীকরণ
মিজানুর রহমান খানের লিগাসিঃ ‘পাকিস্তানি মাইন্ডসেট’ এর তত্ত্বায়ন ও ভারত বিরোধি রাজনীতির নির্মূলীকরণ
১২ জানুয়ারি ২০২১

মিজানুর রহমান খান মারা গিয়েছেন। তার জন্য অবিচুয়ারি লিখছেন প্রচুর মানুষ। আমার পক্ষ থেকে সেটা না করলে খুব বেশি ক্ষতি বৃদ্ধি হবে না। তাছাড়া কৃত্রিম শোক প্রকাশের ব্যাপারটা মৃত ব্যক্তির সাথে একটা প্রতারণা বৈ কিছুই না। এর চেয়ে বরং আমরা তার কর্মের দিকে মনোনিবেশ করতে পারি এবং তা থেকে কিছু শিক্ষণীয় আছে কি না দেখতে পারি। তাছাড়া কর্মের বিশ্লেষণের মধ্য দিয়েই একজন মানুষকে সত্যিকার ভাবে চেনা যায়। তিনি একজন সাংবাদিক, কলামিষ্ট ছিলেন। এটা একটা ভাল উপলক্ষ তার লেখা নিয়ে কথা বলার। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে কেমন মানুষ ছিলেন সেটা আমাদের আলাপের বাইরে রেখে বস্তুনিষ্ঠভাবে তার রাজনৈতিক অবস্থান কি ছিল সেটা বুঝবার চেষ্টা করাটা দরকারি পদক্ষেপ বলেই আমি মনে করি। আর এটা করার জন্য তার বিশ্লেষণ মূলক রাজনৈতিক কলামগুলো আমরা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ার চেষ্টা করতে পারি। আপাতত তার একটি লেখা এখানে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করবো। এবং এর মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব কিনা সেটা দেখবো। পরবর্তীতে হয়ত অন্যান্য লেখাও এই পথ ধরে বিশ্লেষণের আওতায় আনা যাবে। একজন মৃত ব্যক্তির সঙ্গে ন্যায়নিষ্ঠ আচরণের এটাই সর্বোত্তম পথ বলে আমি মনে করি।

 

যে লেখাটি নিয়ে আলাপ করতে চাইছি সেটা মিজানুর রহমান খান লিখেছেন ১৫ই মার্চ ২০১৭। লেখার শিরোনাম হচ্ছেঃ “প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর, তিস্তা চুক্তি ও আত্মজিজ্ঞাসা”। তো লেখার শিরোনামে এটা স্পষ্ট যে, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফরকে কেন্দ্র করে তিনি লেখাটি লিখেছেন এবং সে সফরে তিস্তা চুক্তির বিষয়টি খুবই আলোচিত বিষয় ছিল। তবে আত্মজিজ্ঞাসা বলতে কি বুঝিয়েছেন সেটা বুঝতে ওনার লেখার ভেতরের একটি অনুচ্ছেদে আমাদের মনোনিবেশ করতে হবে। তিনি বলেছেনঃ

“আমাদের, মানে গণমাধ্যম ও নাগরিকদের একটা আত্মজিজ্ঞাসা দরকার। ওই পাকিস্তানি মাইন্ডসেট যাতে চনমনে না হয়, সে জন্য আমরা মনমোহনের সফরে তিস্তা চুক্তি না হওয়ার বেদনা চেপে রেখেছি। পরে মোদিজি যখন পাখি ও পানির সীমান্ত না থাকার কথা বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে দরদ দিয়ে বললেন, তখন পুনরায় আশায় বুক বাঁধলাম। তা ফিকেও হলো। তারপরও উষ্মা ততটা প্রকাশ করিনি, পাছে চিহ্নিত শত্রুরা মুখরা হয়। তাঁরা অযথাযথ সুবিধা না পেয়ে যায়। কিন্তু আর তো চলছে না। পিঠ দেয়ালে ঠেকার দশা হয়েছে।“

অর্থাৎ আত্মজিজ্ঞাসাটি হল - পাকিস্তানি মাইন্ডসেট যাতে বাংলাদেশে জেগে না ওঠে সে জন্য বাংলাদেশের সাথে ভারতের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশ বঞ্চিত হলেও উনিসহ গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজ চুপ ছিলেন। উনার বক্তব্য অনুযায়ী চিহ্নিত শত্রুরা যাতে মুখর না হতে পারে সেজন্য ওনারা এটা করে এসেছেন। কিন্তু ভারত যদি পানি না দেয় সেক্ষেত্রে আর কতকাল ওনারা এই বেদনা চেপে রাখবেন? পাকিস্তানি মাইন্ডসেট বলতে কি বুঝিয়েছেন সেই আলাপে আমি আসছি। কিন্তু এখানে আমরা তার জায়গা থেকে পরিষ্কার একটি রাজনৈতিক অবস্থান পাচ্ছি, সেটা হচ্ছে অগ্রাধিকারের প্রশ্নে ভারতের কাছে থেকে ন্যায্য অধিকার পাওয়ার চেয়েও বেশি জরুরি পাকিস্তানি মাইন্ডসেটকে প্রতিহত করা। বরং উনি মনে করেন ভারতের উচিত তিস্তার পানি দেয়া নচেৎ পাকিস্তানি মাইন্ডসেট প্রতিহত করার যে প্রচেষ্টা সেটা ব্যাহত হবে। যেমনটা উনি বলছেন:

“মৌলবাদ, জঙ্গিবাদবিরোধী লড়াই ও পাকিস্তানপন্থীদের বৈধভাবে দমন এবং সর্বোপরি সৎ প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের দাবিতে ভারতের উচিত তাঁর [ প্রধানমন্ত্রীর] হাত শক্তিশালী করা। তাঁর সঙ্গে বিশ্বাসহানি ঘটালে তাতে পাকিস্তানি দিলই স্বস্তি পাবে। গ্যাস থাকলে আমরা ভারতকে গ্যাস দেব ও দিতাম। যা ছিল না, তা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত কীভাবে সাহসী হতে পারে? তারা এবারে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের চুক্তি করবে, ভালো কথা, আমরা দেব।”

অর্থাৎ উনি ভারতকে অনুরোধ করছেন - পাকিস্তানপন্থীদের দমনের স্বার্থে তাদের উচিত তিস্তার পানি দিয়ে দেয়া। সুতরাং আবারো পরিস্কার - পাকিস্তানি মাইন্ড সেট কিংবা বাংলাদেশে পাকিস্তানপন্থিদের দমন ভারতের কাছ থেকে ন্যায্য অধিকার পাওয়ার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। বরং ভারতের উচিত তিস্তার পানি দিয়ে দেয়া যাতে এই দমনের কাজ অব্যাহত রাখা যায় এবং পাকিস্তানি দিল স্বস্তিতে না থাকে।

 

এই পাকিস্তানি মাইন্ডসেট, পাকিস্তানি দিল কিংবা পাকিস্তান পন্থি কারা? এই প্রশ্ন করা জরুরি। তিনি এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিলেও তার ইঙ্গিতে বোঝা যায় তিনি মূলত ভারত বিরোধিতা করে এমন প্রায় সব গোষ্ঠিকে পাকিস্তানি মাইন্ডসেট এর উত্তরাধিকার বহনকারী বলে মনে করেন। যেমনটা উনি বলছেনঃ

“বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে একটা পাকিস্তানি মাইন্ডসেট অনেক সময় বাধা হিসেবে কাজ করে। তাতে সাতচল্লিশের রেশ আছে। ১৯৭৫ সালের পর তাতে তীব্রতা বেড়েছে। কিন্তু সেটা সব থেকে বড় বাধা কি না, তা নতুন করে ভাবনার দাবি রাখে। ভারত বিভিন্নভাবে আমাদের জাতীয় রাজনীতিতে নানামুখী দ্যোতনায় ফিরে আসে। ভারতবিরোধিতার রাজনীতি ক্ষতিকর। ভারতের প্রতি তোষামোদি নীতিও ক্ষতিকর। কোনো সন্দেহ নেই বিএনপি-জামায়াত-জাতীয় পার্টির ভারতবিরোধিতার উগ্র নীতি সুবিদিত। তবে বৃহত্তম চ্যালেঞ্জ হলো, বাংলাদেশ রাজনীতি থেকে ভারতবিরোধিতার পাকিস্তানি মাইন্ডসেটের যে উত্তরাধিকার, সেই বলয় থেকে নিজেদের মুক্ত করে আনা। সেটা ভারত পানির হিস্যা দিল কি দিল না, তার নিক্তিতেই বিচার না করা।”


যদি লক্ষ্য করেন দেখবেন - ভারত আমাদের ন্যায্য অধিকার দিক বা না দিক, ওনার প্রস্তাব হল ভারতের বিরোধিতা করা যাবেনা এবং ভারত বিরোধিতার পাকিস্তানি মাইন্ডসেট থেকে বের হয়ে আসতে হবে। অর্থাৎ তিনি ভারত বিরোধিতার সঙ্গে পাকিস্তানি মাইন্ডসেটের একটা অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক কল্পনা করছেন। অন্যভাবে বললে - কেউ পাকিস্তানি মাইন্ডসেট ধারণ করছেন সেটা আমরা বুঝবো কি করে? মিঃ খান এর উত্তর হবে - যারা ভারত বিরোধিতা করে বা ভারতবিরোধি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তারাই পাকিস্তানি মাইন্ডসেটের আলামত বহন করে। আর জামাত-বিএনপি-জাতীয় পার্টি উগ্র ভারত বিরোধিতার সঙ্গে যুক্ত। সুতরাং জামাত-বিএনপি- জাতীয় পার্টি এরা সবাই এই পাকিস্তানি মাইন্ডসেট ধারণ করে।

 

তবে উনি কিন্তু ভারত বিরোধিতাকে পাকিস্তানপন্থা হিসেবে ট্যাগ দিয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং তাদের নির্মূলীকরণ চেয়েছেন। কামনা করেছেন যেন তাদের বৈধভাবে দমন করা হয়। বৈধভাবে দমন ব্যাপারটা কি আমরা জানিনা। উনি পরিস্কার করেন নি। তাহলে ভারত বিরোধিতাকে বা পাকিস্তান পন্থাকে আইনানুগ পন্থায় দমনের মানে কি? এর উত্তর পাবো পাকিস্তান গোষ্ঠির সাথে ওনি একই ফ্রেমে আর যে শব্দ গুচ্ছের ব্যবহার করেছেন সেগুলোতে – ‘মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ বিরোধি লড়াইও পাকিস্তান পন্থিদের বৈধভাবে দমনের প্রক্রিয়া’। জঙ্গিবাদ দমনের উপায় আমরা দেখেছি - সেটা হল ক্রস ফায়ার। আর খুব সৌভাগ্যবান হলে বিচার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে ফাঁসি কার্যকর। ভারত বিরোধিদের দমনের উপায়ও কি সেটা? আমাদের জানবার উপায় নেই। কিন্তু উনার বক্তব্যে শব্দ আর বাক্যের যে পারষ্পারিক যোগ তাতে এমন অর্থ গ্রহণ পাঠকের পক্ষে অন্যায্য নয়।

 

তার চেয়েও জরুরি বিষয় হল- ভারত বিরোধিতাকে পাকিস্তানপন্থা ট্যাগ দিয়ে তাকে দমনের যে বৈধতা প্রদান করছেন, এর মধ্য দিয়ে উনি জামাত - বি এন পি - জাতীয় পার্টি সবাইকে দমনের লাইসেন্স আওয়ামীলিগের হাতে তুলে দিচ্ছেন। আওয়ামীলিগের ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠার পিছনে বুদ্ধিবৃত্তিক রশদ যোগান দাতা হিসেবে ওনাকে চিহ্নিত করতে কোন সন্দেহের অবকাশ আর থাকে কি? তবে আমরা আরো একটু সাহসি হয়ে যদি প্রশ্ন করি - বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ কি এখন ভারত বিরোধি নয়? তাহলে অধিকাংশ মানুষকে বৈধভাবে দমন করতে বলছেন মিঃ খান? যদি প্রশ্ন করেন, আওয়ামীলিগ সব মানুষের ভোটাধিকার হরণ করে টিকে আছে কোন যুক্তির উপর দাঁড়িয়ে? সেটার উত্তর, এই ‘পাকিস্তান পন্থিদের’ দমন। সুতরাং জনাব খানের ২০১৭ সালের যে রেটরিক – ‘পাকিস্তান পন্থিদের দমন’ - সেটার আক্ষরিক অনুবাদ আওয়ামীলিগ করে দেখিয়েছে এবং দেখাচ্ছে। আর সেটা হচ্ছে - সব বিরোধিমতের দমন, সব মানুষের ভোটাধিকার হরণ। যেহেতু এদেশের মানুষ প্রায় সবাই ভারত বিরোধি হয়ে উঠেছে সুতরাং আওয়ামীলিগ তাদের দমন করতেই পারে? মিঃ খার এর পক্ষে এর সাথে দ্বিমত করা কি সম্ভব?

 

মিজানুর রহমান খান মারা গিয়েছেন। তার ফয়সালা আল্লাহর হাতে। আমাদের সেখানে কিছু করার নাই। কিন্তু তার প্রশংসা বা নিন্দা করার আগে আমাদের তার চিন্তা ও রাজনীতি সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা থাকা চাই। বাংলাদেশে ভারত বিরোধিতাকে যে কোন মূল্যে নির্মূলীকরণ তার রাজনীতির প্রধান দিক। এজন্য তিনি অনেক দূর ত্যাগ স্বীকার করতে রাজি ছিলেন। এ জন্য ভারত আমাদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে না দিলেও এ ব্যাপারে ভারতের বিরুদ্ধে সরব না হতে তিনি আমাদের পরামর্শ দিয়েছেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ব্যাপারে সংযম পালনে ব্যর্থ হচ্ছেন বলে অনুযোগ করছেন। তার একটা উদাহরণ হচ্ছে নিচের উদ্বৃতি। তবে তার ছোট এ লেখায় আরো এমন অনুযোগে ভরপুর।

“শেখ হাসিনার সরকার যদি সত্যিই ভারতের সঙ্গে দর-কষাকষি করতে চায়, তাহলে তাঁর পক্ষে প্রকাশ্যে ভারতকে নিন্দামন্দ করে তা ফলপ্রসূ হবে না। দিল্লিতে গিয়ে পরিষ্কার করে তাঁকে বলতে হবে, তিনি এখনই তিস্তা চুক্তি চান”

 

সুতরাং সর্বশেষ একটি কথা বলে শেষ করতে চাই - একটি জাতি সার্বভৌমত্ব নিয়ে টিকে থাকতে পারবে কিনা তার জন্য কালেক্টিভ মেমরি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমরা জানি মিঃ খান ১/১১-র অন্যতম একজন কুশীলব যা আজকের গণতন্ত্রহীন বাংলাদেশের সূচনা করেছিল। আমরা জানি মিঃ খান শাহবাগের ফ্যাসিবাদি গোষ্ঠির পক্ষে কলম ধরেছেন। আর এই লেখায় আরো পরিস্কার ভাবে ফুটে উঠেছে - ভারত এর সাথে সম্পর্ক বিনির্মাণ করতে কিংবা ভারত বিরোধিতাকে দমন করতে বাংলাদেশের স্বার্থ, জনগণ সব কিছুকে জলাঞ্জলি দিতে তিনি কি রকম প্রস্তুত। কিন্তু আমরা এত তাড়াতাড়ি কিভাবে তা ভুলে গেলাম। আওয়ামী ফ্যাসিবাদ চিনলেও আমরা যে তার বুদ্ধিবৃত্তিক কারিগরদেরকে চিনতে পারিনি অথবা বিস্মৃত হয়েছি সেটার প্রমাণ হচ্ছে মিঃ খান এর মৃত্যুর পরের প্রতিক্রিয়া। এই প্রতিক্রিয়ায় আমরা অনেক বড় বড় বুদ্ধিজীবিদের অংশগ্রহণ দেখছি। এমনকি জামাত-বি এনপির অনেকে এটাতে অংশ নিয়েছেন। অথচ তিনি তাদেরকে উগ্র ভারত বিরোধি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। পাকিস্তানি মাইন্ড সেটের উত্তরাধিকার হিসেবে তাদের আখ্যায়িত করেছেন। এবং সর্বশেষ ইনিয়ে বিনিয়ে তাদের দমনের কথাও বলছেন। এমন সামষ্টিক পরিস্থিতি কেবল হতাশাজনকই নয় বরং ভীষণ আতঙ্কেরও বটে। এত স্বল্প মেয়াদি স্মৃতি নিয়ে এ জাতি তার সার্বভৌমত্ব নিয়ে টিকে থাকতে পারবে তো? নাকি ভারতের ব্রাহ্মণ্যবাদি আগ্রাসনের সামনে মিঃ খান এর মত বুদ্ধিজীবিদের পরামর্শ মেনে ভারত বিরোধিতা ত্যাগ করবে এবং বিনিময়ে ভারতের কাছে নিজেদের সার্বভৌমত্ব জলাঞ্জলি দিবে?

অবশ্য আমরা জানি না, আমাদের সার্বভৌমত্বের কতটুকু বাকি আছে; নাকি পুরোটা ইতিমধ্যে ভারতের কাছে বিসর্জন দেয়া হয়ে গিয়েছে। তবে তার থেকেও বড় প্রশ্ন হল - আমরা কি মানসিক ভাবে ভারতের কলোনি হওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছি? অন্যথায় মিজানুর রহমান খান এর মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান হয়ে ওঠার আর কি অর্থ হতে পারে?

আহমাদ শাব্বীর