ধারাবাহিক

সাম্রাজ্যবাদের মনস্তত্ত্ব: 'ওরিয়েন্ট' নিয়ে মালেক বিন নাবীর চিন্তা
সাম্রাজ্যবাদের মনস্তত্ত্ব: 'ওরিয়েন্ট' নিয়ে মালেক বিন নাবীর চিন্তা
সম্পাদনা করেছেন শাহাদাৎ তৈয়ব
৩০ ডিসেম্বর ২০১৫

ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হওয়াকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফল বলা হলেও তাতে পুরা সত্য বলা হয় না। আসলে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শর্ত তৈরি হওয়ার ক্ষেত্রে উপনিবেশিতদের ক্রমাগত আন্দোলন সংগ্রামের চূড়ান্ত পরিণতি হিসাবে উপনিবেশমুক্তির শর্ত যেমন রয়েছে তেমনি তার মধ্যে আমেরিকা কেন্দ্রিক নয়া বিশ্বশক্তির ক্ষমতার যুগ শুরু হওয়ার ব্যাপারটি আরো বেশি শক্তিশালী ছিল।

 

এরকম পরিস্থিতিতে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ শেষ হওয়ার এক দশক পর ঔপনিবেশিক শাসন থেকে নতুন মুক্তি পাওয়া আফ্রিকা এবং এশিয়ার ছাব্বিশটি স্বাধীন রাষ্ট্র তাদের অর্থনীতি, রাজনীতি, সংস্কৃতি এবং নৈতিক অবস্থানকে নয়া উপনিবেশবাদ কিংবা সাম্রাজ্যবাদের দখলদার শক্তিদেয়াল থেকে স্বতন্ত্র এবং শক্তিশালী করার জন্য বানদুং সম্মেলনের আয়োজন করে। ১৯৫৫ এর এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হওয়া বানদুং সম্মেলনের পরের বছরই মালিক বিন নাবী আফ্রোএশিয়ান চিন্তা: বানদুং সম্মেলনকে সামনে রেখে বইটি লেখেন। এটি ছিল তারই একটা পর্যালোচনামূলক লেখা।

 

ধারাবাহিক পোস্টসমূহ
মালেক বিন নাবী
সাম্রাজ্যবাদের মনস্তত্ত্ব: 'ওরিয়েন্ট' নিয়ে মালেক বিন নাবীর চিন্তা - প্রথম পর্ব
উপনিবেশোত্তর দেশগুলো নয়া উপনিবেশ ও সাম্রাজ্যবাদের খপ্পর থেকে কিভাবে তাদের সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও রাজনীতিকে মুক্ত রাখবে?
মালেক বিন নাবী
সাম্রাজ্যবাদের মনস্তত্ত্ব: 'ওরিয়েন্ট' নিয়ে মালেক বিন নাবীর চিন্তা -দ্বিতীয় পর্ব
সাংস্কৃতিক বিনিময় এর মানদন্ড- কী? পশ্চিমা নমুনার মধ্যেই কি এই সাংস্কৃতিক চিন্তা ও তার ভিত গড়ে তোলার অনুসরণীয় মডেল?
শাহাদাৎ তৈয়ব